আমি মধ্য বৃত্তের কথা বলছি
আজকের বৃদ্ধাশ্রম আমাদের মা বোনদের হাতে তৈরি(সাধারণত)।
মা তার সন্তানের যত্ন নেন।
একটা বিষয় লক্ষ্য করুন-
আমরা বাবার চেয়ে মাকে বেশি ভালোবাসি।
আমরা চাচার থেকে মামাকে বেশি ভালোবাসি।
আমরা ফুপুর চেয়ে খালাকে বেশি ভালোবাসি।
দাদার চেয়ে নানাকে-
দাদির চেয়ে নানীকে বেশি ভালোবাসি।
অর্থাৎ যাদের কথা উল্লেখ করেছি তাদের মধ্যে পিতার পরিবারের লোকজনকে কম ভালোবাসি আর মায়ের পরিবারের লোককে বেশি ভালোবাসি।
আসলে আমরা নানা বাড়ীর লোককে কেন বেশি ভালোবাসি?
তারা আমাদের বেশি ভালোবাসে বলে আমরাও তাদের বেশি ভালোবাসি?
আমরা পুরুষ শাষিত সমাজে বাস করি।পরিবারের ব্যায়ভার সাধারণত পিতাকেই নিতে হয়।পুরুষকে বাহিরে কাজ করতে হয়।একজন মা তার সন্তানের দেখাশোনা করেন।
একটা শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার বিকাশ ঘটে পরিবারে।পিতা যেহেতু কাজে দিনের অনেকটা সময় ব্যয় করে,তাই সন্তানকে সময় বেশি দিতে পারেনা।মা-ই সন্তানকে বেশি শিক্ষা দেয়।
একজন মা তার সন্তানের জন্য অকাতরে জীবন দিতে পারে।একটা মেয়ে যখন কারো ঘরের স্ত্রী হয়ে আসে সে শ্বশুর-শ্বাশুরির দেবর ননদের সামান্য ভুল কথাগুলো স্বামির কাছে কেঁদে কেঁদে বলে সংসারে বিবাদের সৃষ্টি ঘটায়।
আজকালতো বাসর রাতেই ভবিষৎ পরিকল্পনা করে-আমরা এই কটা সন্তান নেব,সুখি সুন্দর ছোট পরিবার গড়ে তুলব।আরো কতকি ভাবনা!
কয়েক দিনের ভিতর সোনার সংসারের লোকগুলোর দোষত্রুটির অভাব থাকেনা।তারা আলাদা সংসার শুরু করে।আজকাল আলাদা সংসার এমনিতেই অনেক সময় হয়ে যায়।স্বামী চাকরি করে শহরে স্ত্রীকে শহরে নিয়ে গেল।এটা শহরায়নে ফল।বিবাহের কয়েক দিনের মধ্যেই স্বামিকে বলে তুমি এতটাকা সংসারে ব্যয় কর কেন?কিছু টাকা জমা কর আমাদের সন্তান হবে ওদেরকে মানুষ করতে হবেনা।আমাদের একটা ভবিষৎ আছেনা।
অনেক অলস লোক আছেন যারা বিয়ের পরে খুব কর্মঠ হয়ে পড়ে কারণ বউয়ের চাপে করতে বাধ্য হয়।
টাকা জমাতে গিয়ে মাবাবর কথা ভুলে যায়।স্ত্রীর বাড়ীর লোক আসলে যত্ন-আদরের অভাব হয়না।স্বামীও ভাবে যত্ন না করলে মান-সম্মান থাকেনা।অথচ স্বামীর পরিবারের বা আপনজন যারা আছেন তারা আসলে দরদির দরদের সাগর শুকিয়ে যায়।
স্ত্রী একটা পোশাক বা কোন কিছু একটু ব্যবহার করার পর বোনকে বা পরিবারের অন্য কাউকে দিয়ে আসে,অথচ ননদকে চক্ষুশূল মনে হয়।তার ভাইয়ের কেনা জিনিসে তার অধিকার নেই।
সন্তান হবার পর একজন মায়ের ভালোবাসায় কমতি থাকেনা।সন্তানকে নিয়ে কত স্বপ্ন কত আশা ছেলেকে মানুষের মত মানুষ করবে।
সন্তানকে মা সব সময় বলে তোর দাদি ঐ বুড়ি মাগির জন্য আমি এইটা করতে পারিনাই সেইটা করতে পারিনাই।তোর দাদায় আমার সাথে এরকম করত ওরকম করত।তোর ফুপু তোর কাক্কু আমাকে এইটা বলছে সেইটা বলছে।ইত্যদি ইত্যাদি কথা
বলে সন্তানের মনে বিষ বাষ্প ঢুকিয়ে দেয়।আর এই সন্তানেরা দাদা দাদি,চাচা-চাচি,
ফুপুফুফাকে ঘৃণা করতে শুরু করে।অথচ এই অভাগারা বাচ্চাটিকে কতই আদর করত।তারপরও তারা ঘৃণার পাত্র।
পক্ষান্তরে,
সন্তানের কাছে নানা নানীর,খালা মামার গুণকির্তনের অভাব নেই।
তোর নানা ঐ দিন আমাদের ওইটা না করে দিলে আমরা আজ এই অবস্থায় আসতে পারতাম না।তোর মামা ওটা করছে এটা করছে,তোর খালা এটা করছে ওটা করছে।
এভাবে সন্তানের মনে একজন মা বিষ বাষ্প প্রবেশ করায়।
আমাদের বাঙ্গালী মায়েদের একটা গুণ হলো-
নিজের ছেলে বউকে শাষন করুক।পরিবারের কাজ কর্ম ঠিক মত করুক।
অন্যদিকে,
মেয়ের স্বামি তার কথা মত চলুক।মেয়েকে দিয়ে কাজ না করাক।আলাদা সংসার করুক সবার পিছনে টাকা ব্যয় করার দরকার কি।
মাবাবর কাছ থেকে দূরে থাকুক।
এই নয়া বধূই একদিন কালের প্রবাহে মা হয়।তার সন্তানকে নিয়ে যেভাবে সপ্ন দেখত সেই সপ্ন দেখে আজ আরেক মেয়ে।আর সেই দিনের রক্ত গরম নব বধূ আজ শ্বাশুরি।যেভাবে একজন সন্তানের কাছ থেকে মাবাবাকে দূরে সরিয়ে দিয়ে ছিল আজ সেই নিয়মের বলীতেই তার সন্তানের কাছ থেকে দূরে যেতে হয়েছে।
এই নিয়ম কোথা থেকে শিখল আপনার সন্তান?
এই সন্তানকে নিয়ে কত সপ্ন ছিল সেই সপ্নগুলো আজ কোথায় হারিয়ে গেলো?
আপনার মনে পড়ছেনা এই নিয়মতো আপনিই শিখিয়ে ছিলেন আপনার সন্তানকে!
মা দিবসে এক মায়ের কথা পত্রিকায় পড়লাম, স্বামীহারা স্ত্রী একমাত্র পুত্র। সহায়-সম্বল ঢাকার শহরে একটা ফ্লাট বাড়ী। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বিবাহ বসেনি।সন্তানকে উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠায়।লেখা পড়ার খরচের জন্য মাথার ওপর ছাদটাও বিক্রি করে দেয়। লেখা পড়া শেষ করে বিবাহ করে
বিদেশে থাকে।মায়ের খোঁজ আজকাল আর রাখে না সে। মায়ের পদতলে নাকি সন্তানের বেহেশত? তাহলে কি বেহেশতকেই দূরে সরিয়ে রাখল! আজ মা অসহায় এক বৃদ্ধা নারী।লজ্জ্বায় সন্তানের নাম প্রকাশ করেনি।হয়ত এখানেও মায়ের ভালোবাসাই প্রকাশ পেয়েছে।সন্তানের সন্মানহানি হোক এটা মা চায়নি।
হাজারো মা আজ নিগৃহীত। হাজারো মা আজ বৃদ্ধাশ্রমে। একজন সুস্থ মস্কিস্কের মা তার সন্তানের জন্য জীবন দিতে পারে (সুস্থ মস্কিস্কের মা বলার কারণ,গত পরশু ২০/০১/১৭ ইং তারিখে সময়ের কন্ঠস্বর পত্রিকায় পড়লাম একজন মা ছেলে সন্তান না হওয়ায় মেয়ে সন্তান হওয়ায় সন্তানটিকে গলাটিপে হত্যা করে।)।
যদি আমি ৪৫-৫৫ বছর বেঁচে থাকি আমিও বৃদ্ধ হব।সেই সময়ের অবস্থা কি রকম হবে জানিনা।
এক সময় শ্বশুর-শাশুরিকে পীরের মতো মানা হত( পীর অর্থ যদিও মুরব্বি, তবে পীরের মতো বলতে অনেক সন্মানের চোঁখে দেখা হতো।)।
আজ অনেকটা চাকরের মতো মনে করে শ্বশুর - শ্বাশুরিকে। পরিতাপের বিষয় এটাই যে,চাকরেরা ইচ্ছা করলে চাকরি ছেড়ে দিতে পারে কিন্তু একজন কৃতদাস তার মনিবের কেনা গোলাম।সে ছেড়ে চলে যেতে পারেনা।আজকাল মানুষের জমাজমি মোটামুটি আছে সন্তানেররা দূরে সরিয়ে দিলেও মা-বাবা কষ্টে দিনযাপন করে ওপারে যেতে পারে।
কিছুকাল পর দেখা যাবে মাথাপিছু যে জমি থাকবে তা অতিই নগন্য।তখনতো শ্বশুর-শ্বাশুরির অবস্থা কৃতদাসের মতোই হবে।না পারবে কইতে না পারবে সইতে।।
একজন মা সন্তানের জন্য কতোই কষ্ট করেন।নতুন বউ একটা বাচ্চা জন্ম দিয়ে মনে করেন আমিই বুঝি শ্রেষ্ঠ মা। আমার মতো কেউ বাচ্চার যত্ন নিতে পারে না।আসলে প্রত্যেকটা মা'ই যার-যার সাধ্যাঅনুযায়ী
ভালোবাসেন।অনেক কুলাঙ্গার আছেন যারা মনে করে থাকেন আমার ওই ভাইটাকে আমার থেকে আমার মা বেশি ভালোবাসেন।হ্যা হতেই পারে।আপনার সমাজের দিকে তাকাবেন দেখবেন মা তার দুই সন্তানকে দুই রকম চোঁখে দেখে।এর কারণ হিসেবে দেখবেন,যে ছেলেটার দিকে মা বেশি খেয়াল রাখেন সে ছেলেটি অন্যান্য ছেলেদের তুলনায় আর্থিক দিক হতে বা শারিরীক দিক হতে বা বুদ্ধি-বৃত্তির দিক হতে দুর্বল।তাই তার দিকে একটু বেশি খেয়াল নেন।এটা মায়ের ভালোবাসারই প্রকাশ।
আজকাল রান্না-বান্না অধিকাংশ পরিবারে শ্বাশুরি করে।আপনার মনে হতে পারে পুত্রবধু চাকরি করলে করতেও পারে।না সেরকমটা নয় এমনিতেই এরা শ্বাশুরিকে জ্বালাতে পছন্দ করে।
আমাদের দেশের এখনো অনেক মানুষ কুসংস্কারাচ্ছন্ন।তারা এখনো ফকির ওজার উপর বিশ্বাস রাখে।শারিরীক অসুস্থতা অনুভব করলে প্রায়সই তারা ফকির ওজার দ্বারস্থ হয়।আর ফকিরদের ভন্ডামির কবলে পরে।ফকিরদের সাধারণ কথা পুত্রবধু ওজার কাছে গেলে বলে শ্বাশুরি তাকে ক্ষতি করছে।পক্ষান্তরে, শ্বাশুরি গেলে পুত্রবধুর কথা বলে যে সে ক্ষতি (ক্ষতি বলতে তাবিজ-কবজ করে অসুস্থ করা) করছে।এগুলো বিশ্বাস করে জগড়া-জাটি করে আলাদা সংসার শুরু করে যাকে বলে একক পরিবার।
আধুনিকতা মানে কি? শুধুই ব্যাস্ততা! শিল্প বিপ্লবের আগে একজন শ্রমিক একদিনে ৩ বা ৪ জোড়া জুতো তৈরি করতে পারত, শিল্প বিপ্লবের পরে একজন শ্রমিক একদিন ৩০০ থেকে ৩৫০ জোড়া জুতো বানাতে পারে।সে হিসেবে মানুষের সময় হাতে বেশি থাকার কথা।কিন্তু কই? আজ বাবা মা হয়ে সন্তানকে সন্তান হয়ে মা বাবাকে সময় দিতে পারিনা।
কেমন যুগে আসলাম আমরা? আসল যুগেরইবা দোষ কোথায়! মানুষের মাঝে দুটি সত্তা আছে একটা হলো জীব বৃত্তি আরেকটা হলো বুদ্ধি-বৃত্তি। আমাদের মধ্যে জীব-জানোয়ার বৃত্তি আছে বলে এটা আমরা করে থাকি।
মা বাবাকে মনে হয় নর্দমার কীট। রাস্তায়ও ফেলে দিতে পারিনা মেরেও ফেলতে পারিনা দেশে খুনির শাস্তি আছে বলে। তাই বাধ্য হয়ে বৃদ্ধাশ্রমে ফেলে আসি।বৃদ্ধাশ্রমটা বড়লোকদের জন্যই জোটে,মধ্যবৃত্তের ধুঁকে-ধুঁকে মরা ছাড়া উপায় নেই।
আপনি কি জানেন?
একজন মানুষের শরীর মাত্র ৪৫ডেল (ব্যাথার তীব্রতার একক)সহ্য করতে পারে।
কিন্তু একজন মা সন্তান প্রসবের সময় ৫৭ডেলপর্যন্ত ব্যাথা সহ্য করে,
যা কিনা শরীরের ২০টা হাড় একসাথে ভাঙ্গার সমান ব্যাথা!!.
একজন মা তার সন্তানকে কত ভালবাসেন!!
যিনি আমাদের জন্য প্রতিদিন লড়াই করেন,
হাজারো ব্যাথা সহ্য করেন শুধু আমাদের একটা সুন্দর জীবনের পথ করে দিতে!
আজ কবি নজরুলের কবিতার দুটি চরণ বারবার মনে পড়ছে,"
আসিতেছে শুভদিন,
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ!"
হ্যা, সুদে-আসলে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
আপনার সন্তানকে ভালোকিছু শিক্ষা দিন।একটা শিশু চাল-চলন বা আচার-ব্যবহার পরিবার ও পরিবেশ থেকে শিখে থাকে।আপনি যদি মা বাবার সাথে বা আপনার পরিবেশের কেউ যদি মা বাবার সাথে খারাপ আচারণ করে এটাই সন্তানেরা রপ্ত করবে। দিন কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে এবং হবে। বর্তমান পরিস্থিতির থেকেও খারাপ পরিস্থিতি আসবে।একটা কথা আছে পরের জন্য কুয়া খুড়লে নিজে সেখানে পড়তে হয়। মানুষের জীবন প্রতিধ্বন্নির মতো।পহাড়ের কাছে গিয়ে চিৎকার করে কিছু বললে সেই কথাই ফিরে আসবে। আমরা যদি মা-বাবাকে ভালোবাসতে শিখি আমাদের সন্তানেরাও আমাদেরকে ভালোবাসতে শিখবে।
আরেকটা গ্রাম বাংলার কথা আছ,'যার নুন (লবন) খাই তার গুণ গাই'।
একটা বাচ্চার ছোট সময় কল্পনায় বাস্তবতায় শুধুই মা।বিপদে পরলে মাকে ডাক দেয়।মায়ের কোল সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে তাই সেখানেই বেশি থাকে।যখন বাচ্চাটা স্কুলে লেখা পড়া শুরু করে তখন স্কুলের বন্ধু বাড়ীর পাশের খেলা-ধুলার বন্ধু জোটে। একটু একটু অবাধ্য হতে শুরু করে।যখন সে নবম-দশম শ্রেণিতে পড়ে সে মেয়েদের সাথে অনেকটা অন্তরঙ্গতায় মিশে থাকে আর মা বাবার কাছ হতে চাপ দিয়ে বা মিথ্যা বলে টাকা নেয়।আস্তে আস্তে অবাধ্য সন্তান হিসেবে গড়ে ওঠে।যারা এই বয়সে ভালো থাকেন তারা বিবাহের পরে পুরোটাই প্রায় অবাধ্য হতে শুরু করে।তখনতো তার বিপদের বন্ধু মা নয়, তার স্ত্রী। যে তার যৌন সাথী।তাকে নিয়েইতো যত পরিকল্পনা!
এরকম পরিকল্পনা আপনার সন্তানও করবে।
দারিদ্রতা মা বাবাকে ভালোনাবাসার কারণ মনে হতে পারে।আমার বাবা মা তো দেখবেনই আমার আর্থিক অবস্থা। আমার যে সম্বল আছে তা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে হবে তাদের ভালাবাসার।
শুধু নারীকে অপবাদ দিলে হবেনা। পুরুষ যে তুলসী পাতায় ধোয়া পানির মতো তা নয়! আমার মাকে বাবাকে যদি আমি ভালোবাসি কোন নারীতা ঠেকাতে পারেনা।মা বোনদেরকে বলছি আমাদের নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে এনোনা।আমাদের পুরুদেরও অগ্রণীভূমিকা পালন করতে হবে।
মা বাবাকে ভালোবাসতে হবে।বর্তমানের পরিস্থিতি পাল্টাতে হবে কাউকে যেন বৃদ্ধাশ্রমে যেতে না হয়।বর্তমান পরিস্থিতি যদি পাল্টাতে না পারি,তাহলে এর থেকেও নির্মম কোন বৃদ্ধাশ্রামে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।।
আমার লেখাটি পড়ে মনে হতে পারে আমি নারী জাতীকে অবমননা করছি।আসলে না আমি কাউকেই হেয় করিনি।যদি মনে করে থাকেন আমি ভুল বলেছি তাহলে ক্ষমা করবেন।বানানগত কোন ভুল হলেও ক্ষমা করবেন।আমার লেখাগুলো লেখার উদ্দেশ্য সমাজে মা বাবার সুদিন ফিরে আসুক।
--------------------------------------------
মোঃ ইমামুল হক